বিএনপির আন্দোলনের গর্জনই শোনা যায় বর্ষণ দেখা যায় না ---------ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের হাঁকডাক আর তর্জন গর্জনই শুধু শোনা যায়। কিন্তু বর্ষণ দেখা যায় না, যাবেও না। গতকাল রবিবার সকালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বিআরটিএ আয়োজিত বিশেষ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সরকার হটানোর ঘোষণা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা কর্মসূচি আর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে থাকেন। তাদের হাঁকডাক অনেক শুনেছে জনগণ। তিনি বলেন, তারা আন্দোলন করে দলীয় অফিসের সামনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের মাথা ফাটায়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রতি বছর ঈদের পরে আন্দোলন শুরুর ঘোষণা দেয় কিন্তু জনগণ কত ঈদ যে পার করল, আন্দোলন আর দেখে না, রাজপথ শূন্যই থাকে। বিএনপির আন্দোলনের দ্বার রুদ্ধ করে তারা প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলন পারস্পরিক অবিশ্বাস, কলহ, মিথ্যাচার আর নেতিবাচক রাজনীতির চক্রে আবদ্ধ, তাদের আন্দোলনের ডাক এখন মিথ্যাবাদী রাখালের গল্পের মতো। জনগণও বিশ্বাস করে না, তাদের (বিএনপি) দলীয় কর্মীরাও বিশ্বাস করে না। নেতিবাচকতার কারণে তারা আন্দোলনের সক্ষমতা হারিয়েছে।

‘আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে সরাতে না পারলে স্বাধীনতা রক্ষা করা যাবে না’ মর্মে সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের মুখে এমন কথা শুনলে জনগণ এখন হাসে, তারা কাদের নিয়ে আন্দোলন করবে?

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া এদেশে অতীতে কোনো আন্দোলন সফল হয়নি। জনগণকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে কোনো আন্দোলনই অর্থবহ রূপ নেয় না।’ এটাই এদেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার সেবা সহজীকরণে এবং গ্রাহকদের সুবিধার্থে দেশের যে কোনো সার্কেল অফিস থেকে যানবাহনের ফিটনেস সনদ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, বিআরটিএকে সত্যিকার অর্থে সেবামুখী প্রতিষ্ঠান করে গড়ে তুলতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আছে বলেই বিএনপি এখনো রাজনীতি করছে। যখন যা খুশি বলছে। এ সময় সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদারসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।