স্বপ্ন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন প্রথমবারের মতো উদযাপন করল দুইদিনব্যাপী অনলাইনভিত্তিক ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সামিট ২০২০’। সামাজিক-মানবিক মূল্যবোধ ও দক্ষতা উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে এবং যুব সমাজকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিতেই গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সামিট ২০২০’। এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমাল ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইসরাত করিম, মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ শিরিন আক্তার শিলা, গুগল ক্লাউড এসআরই, বাংলাদেশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার অনিক সরকার, ইন্টারন্যাশন্যাল ইয়ুথ কমিটি, ভারতের উপদেষ্টা অর্চনা ভট্টাচার্য, নেপালের আন্তর্জাতিক সনদপ্রাপ্ত পেশাবিষয়ক প্রশিক্ষক মোহিত খাজানচি জেইন, জোহানসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রভাষক মোলাওডি লিনফোর্ড, ইউনিসপায়ার আল্যায়েন্সের প্রধান প্রদীপ খাতিওয়াদা, রিকা ইন্ডিয়া, ভারতের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রনিত চ্যাটার্জী ও নেপালের যুব নীতিমালা বিশেষজ্ঞ অভিনব চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ‘ইয়ুথ কার্নিভাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা মো. শাহীনুর আলম জনি।
আন্তর্জাতিক এই সামিটে ৩৪টি দেশ থেকে ৭৫০ জন ডেলিগেট, ১৪টি দেশ থেকে ৫৬ জন ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর অংশগ্রহণ করেন এবং এই অরগানাজেশনের ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী অর্গানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানমালায় অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের পরিচিতি, অতিথিদের বক্তৃতাপর্ব এবং নির্ধারিত বিষয়ের ওপর ৫ জন ডেলিগেটের বক্তৃতাপর্ব দিয়ে সাজানো হয়। দ্বিতীয় দিনেও দুপুর থেকে রাত অবধি বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল বক্তৃতা পর্ব, বিভিন্ন দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীদের পরিবেশনায় সাজানো বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা—নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি, নাটক ও
নির্ধারিত বিষয়ের ওপর ৫ জন ডেলিগেটের বক্তব্য।
সামিটের দ্বিতীয় দিনে চার ক্যাটাগরিতে স্বপ্ন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশনের ফাউন্ডার ও সভাপতি মাসুমা মরিয়ম ‘স্বপ্ন ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ বেস্ট ডেলিগেট স্পিকার অ্যাওয়ার্ড ও বেস্ট ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ডের নাম ঘোষণা করেন।
অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন— শিল্পদ্যোগ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে শামসিন আহমেদ, পরিবেশ রক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ক্যাটাগরিতে ভারতের শ্রী নিভাসুলু এম আর, শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ভারতের প্রদীপ কুমার পান্ডে, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। এছাড়া প্রার্থী শাহ, জিভান জ্যোতি এবং সামালা ফানি কুমারু—এই তিনজনের অবদানকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। নতুন শিক্ষা পদ্ধতি হিসেবে অনলাইন শিক্ষা বিষয়ের ওপর বেস্ট ডেলিগেট স্পিকার অ্যাওয়ার্ড পান উদেশিকা জয়শিকারা (শ্রীলঙ্কা) ও ভবিষ্যত প্রেক্ষাপটে নতুন কাল্পনিক অবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো বিষয়ের ওপর বেস্ট ডেলিগেট স্পিকার অ্যাওয়ার্ড পান মোছা. আমিনা বেগম (বাংলাদেশ)। বেস্ট ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন আনমোনা প্রিয়দর্শিনী সুকন্যা (বাংলাদেশ) ও খাদিজা মাহামাত হিসসেইন (চাঁদ)।
