দশমিনায় যত্রতত্র এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি!

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩৮

দশমিনায় রাস্তা, বাজার এলাকা ও সড়কের বিভিন্ন মোড়ে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ। দাহ্য পদার্থ বিক্রির নীতিমালা মানছেন না বিক্রেতারা। ফলে যে কোনো সময় বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলার বাসিন্দা আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক রতন বলেন, বিধি অনুযায়ী আটটি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার মজুতের ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। একই বিধিতে বলা আছে, আগুন নেভানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম মজুত রাখতে হবে। স্থানীয় আহাম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, কোমলপানীয়র বোতলে ভরে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে। এসব দোকানের পেট্রোলের ক্রেতাকে অনেক দোকানি চেনেন না বা জানেন না। এটি খুবই বিপজ্জনক। দুষ্কৃতকারীদের হাতে পেট্রোল চলে যেতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা সদরের এক দাহ্য পদার্থ বিক্রেতা বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টুকটাক তেল বিক্রি করে কোনোরকমে সংসার চালাই। আইন সম্পর্কে কিছুই জানি না। স্থানীয় রায়হান বাদল বলেন, উপজেলার বাজার ও বাজারে যাতায়াতের সড়কের পাশে মুদি এবং রকমারি দোকানেও পেট্রোলের পাশাপাশি দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে। উপজেলায় এ রকম প্রায় ২০০ দোকান রয়েছে। অনেক দোকানে আবার এলপি গ্যাস সিলিন্ডারে ভরে বিক্রি করা হচ্ছে। অনুমোদনহীন এসব দোকান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে দীর্ঘদিন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া ফেরদৌস বলেন, যাদের নামে অনুমোদন আছে, তারাই শুধু এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে পারবেন। যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।