সিলেটে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ছাড়তে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর কলেজের অধ্যক্ষ জরুরি বৈঠক করেন।
এদিকে করোনার সময়ে হোস্টেল বন্ধ থাকলেও ছাত্ররা কিভাবে ছাত্রাবাসে থাকছে এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কিছু শিক্ষার্থী টিউশনি করানোর কারণে ছাত্রাবাসে থাকছেন। তাদেরকেও হল ছাড়তে বলা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এক নববধূ তরুণী তার স্বামীকে নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে যান। এসময় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান ও শাহ মাহবুবুর রহমান রনির নেতৃত্বে স্বামী ও স্ত্রীকে পার্শ্ববর্তী কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ করে তারা।
এ ঘটনায় শনিবার ছয়জনের নাম উল্লেখসহ নয়জনকে আসামি করে সিলেট শাহপরাণ থানায় মামলা করেন ধর্ষিতার স্বামী। এর মধ্যে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
মামলার আসামিরা হলেন- এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।
এর আগে শুক্রবার রাত ২টার দিকে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তল্লাশি চালিয়ে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুরের রুম থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
ছাত্রাবাসে অবস্থান করে কলেজ ক্যাম্পাস, টিলাগড় ও বালুচর এলাকায় তারা নিয়মিত ছিনতাই ও অপহরণ করতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রাতে ছাত্রাবাসে জুয়া ও মাদকের আসরও বসাতো বলে সূত্র জানায়।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
