টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) সংবাদদাতা
ফুলবাড়ীতে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এদিকে বৃষ্টির কারণে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে আগাম শীতকালীন শাকসবজির খেত।
রিকশাচালক আফজাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে রিকশা নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হওয়া যায়নি। তাই পকেটে কোনো টাকাও নেই। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। রিকশা ভ্যান মেকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃষ্টির মধ্যেই সকাল থেকে দোকান খুলে বসে থাকার পরও গ্রাহক পাওয়া যাচ্ছে না। খেতমুজর শ্রমিক মুনিকা হেমব্রম বলেন, বৃষ্টির কারণে খেতে কাজ করতে যেতে পারেননি। তাই আগে যা আয় করা অর্থ ছিল তাই দিয়ে পাঁচ দিন ধরে খেতে হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিজ নিজ ইউনিয়নের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য বলা হয়েছে। হিসাব পাওয়া গেলে সঠিকভাবে বলা যাবে বৃষ্টিতে ক্ষতির পরিমাণ।
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, কিশোরগঞ্জে কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে গেছে কৃষকের রোপা আমন ধানের খেত। দ্রুত ধানখেত থেকে পানি নেমে না গেলে নষ্ট হয়ে যাবে তাদের ফসল। সরজমিনে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বিরামহীন বৃষ্টি এবং পাহার থেকে নেমে আসা ঢলে উপজেলার প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির রোপা আমন ধানখেত তলিয়ে গেছে। অপরদিকে বৃষ্টিতে বেগুনসহ অন্যান্য সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাগুড়া দোলাপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক বলেন, টানা বৃষ্টিতে তার চার বিঘা জমির রোপা আমনখেত পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টি না থামলে ধানখেত নষ্ট হয়ে যাবে। তাকে পরিবার-পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অতিবৃষ্টির কারণে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ১৭৬ হেক্টর জমির রোপা আমন ধানখেত পানিতে ডুবে আছে। তবে আর বৃষ্টি না হলে এবং দ্রুত পানি নেমে গেলে ধানখেত নষ্ট হবে না।
