ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া তথা ব্রেক্সিট চুক্তির একটি খসড়া নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে দুই পক্ষ। এই সমঝোতাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে স্বাগত জানালেও বিরোধীরা এটাকে সবচেয়ে খারাপ চুক্তি বলে উল্লেখ করেছে। খবর বিবিসি, রয়টার্স ও সিএনএনের
ব্রিটিশ মন্ত্রিপরিষদের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ইইউ ও ব্রিটেন কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকে চুক্তি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়। তবে খসড়া চুক্তিটি ব্রিটিশ মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদন করতে হবে। সেটা হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদের জরুরি বৈঠকে বসার কথা। এর আগে প্রধানমন্ত্রী মে প্রত্যেক মন্ত্রীর সঙ্গে খসড়া চুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন। খসড়া চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে চুক্তিতে আয়ারল্যান্ড সীমান্ত নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আয়ারল্যান্ডের এক মন্ত্রী লিও ভারেদকার জানিয়েছেন, তারা এটি পার্লামেন্টে ভোটাভুটির জন্য পাঠাবেন। তিনি জানান, বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে খসড়া পাস হলে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে। পাস হওয়ার পর ইইউ’র প্রধান সমঝোতাকারী মাইকেল বার্নিয়ের ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ককে সংকেত দেবেন চুক্তিটি করা যায় কিনা সেই বিষয়ে। এরপর ডোনাল্ড টাস্ক ব্রেক্সিট সম্মেলনের ডাক দেবেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে খসড়া চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌছানোকে সমর্থন করে বলেন, আমি নিশ্চিত যে, এটা আমাদের চূড়ান্ত চুক্তির অনেক কাছাকাছি নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে ২০১৬ সালে জনগণ ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যে রায় দিয়েছিল তার বাস্তবায়ন ঘটবে। ২০১৯ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে ব্রেক্সিট চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে এর আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমোদন করাতে হবে। বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেন, এই চুক্তিটি সবচেয়ে খারাপ একটি চুক্তি। এটি ব্যর্থ হবে। চুক্তির খসড়া নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানোয় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
