গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বহেরার চালা গ্রাম এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড বেড়াইদের চালা গ্রাম বেড়াইদের বাঈদ দ্বারা বিভক্ত। এই বাঈদ দিয়ে ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্ত পানি বহেরার চালা এবং বেড়াইদের চালা গ্রামের দক্ষিণ অংশ বংশীঘাটের নালা দিয়ে লবন্দ খালে গিয়ে পড়ে। বংশীঘাটের এই নালাটি মূলত বহেরার চালা এবং বেড়াইদের চালা গ্রামের দক্ষিণ অংশের সংযোগ রাস্তাটিকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ থাকাকালে চুঙ্গি ফেলে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করা হয়েছিল। কিন্তু নিম্নমানের কাজ হওয়ায় বর্ষায় প্রবল পানি প্রবাহে কয়েক বছরে তা ভেঙে যায়। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে দুই গ্রামের মানুষ বাঁশ ও বাঁশের বেড়া ফেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রথম সারির পৌরসভায় এভাবে চলাচল কতটা যৌক্তিক? বর্ষায় এই পথ ব্যবহার করা যায় না। তখন প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে দুই গ্রামের দক্ষিণের অংশের বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হয়। লবন্দ খালকে ঘিরেই ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। সঙ্গত কারণেই এলাকাটি জনবহুল। বংশীঘাটের সংযোগ সড়কে সেতু নির্মিত হলে দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হয়। এ ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কামরুজ্জামান
সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল বিভাগ,
মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, ভাওয়ালগড়, গাজীপুর
