চট্টগ্রামে ঘনঘন বিদ্যুত্ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ গ্রাহক

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯

চট্টগ্রামে বিদ্যুিবভ্রাট গ্রাহকদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে। নগরীতে কয়েকটি বিতরণ বিভাগে সমস্যা অতিমাত্রায় বেড়েছে। দিনেরাতে অসংখ্য বার বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করছে। একবার গেলে এক-দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামে পিডিবিতে অনেক সাবস্টেশন পুরোনো ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ঘনঘন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রেখে মেরামত কাজ করতে হচ্ছে। আবার চলমান  প্রকল্পের কাজের কারণেও অনেক সময় সরবরাহ দীর্ঘক্ষণ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

পিডিবি জানায়, চট্টগ্রাম জোনে বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট। তার মধ্যে দিনের বেলায় চাহিদা থাকে ৭০০-৮০০ মেগাওয়াট।              পিডিবি চট্টগ্রাম জোন দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী শামসুল আলম ইত্তেফাককে বলেন, সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই, লোডশেডিংও নেই। বর্তমানে চট্টগ্রামে বিদ্যুত্ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ চলছে। ফলে প্রকল্পের কাজের জন্য অনেক সময় সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।’

পিডিবির স্টেডিয়াম বিতরণ বিভাগে বিদ্যুিবভ্রাটে গ্রাহকদের মধ্যে ভোগান্তি বেড়েছে। কালুরঘাট বিতরণ বিভাগেও বিদ্যুিবভ্রাট নিয়ে ভোগান্তি বেড়েছে। দিনেরাতে ছয়-সাত বার করে বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করছে। কালুরঘাট সাবস্টেশনও অনেক দিন ধরে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। প্রায়শই যান্ত্রিকত্রুটি লেগে থাকে। খাজা রোডের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুত্ নিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অসংখ্য বার বিদ্যুত্ আসা-যাওয়া করছে।’

পিডিবি জানায়, প্রকল্পের আওতায় নগরীর কালুরঘাট, রহমতগঞ্জ, কল্পলোক, মাদারবাড়ীর সংলগ্ন বাংলাবাজার, অক্সিজেন, অন্যান্যা আ/এ, মইজ্জারটেক, আনন্দবাজার, মনছুরাবাদ, দক্ষিণ কাট্টলী,মাদামবিবির হাট, বায়েজিদ এশিয়ান ওমেন ইউনিভার্সিটি এলাকা, রামু ও বান্দরবানের নীলাচল স্থানে নতুন সাবস্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে চারটি সাবস্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। আগামী জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। তার মধ্যেই প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ হবে।’