এবার আরেক সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর শুরু হয়েছে চীনের দমন-নিপীড়ন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, শিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের পর এবার হাইনান প্রদেশের সংখ্যালঘু উৎসুল মুসলমানরা চীনের টার্গেটে পরিণত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র ১০ হাজার মানুষের জনগোষ্ঠী উতসুল মুসলিমরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের কারণে চীনের সরকারের রোষানলে পড়েছেন।
ইতোমধ্যে চীন কর্তৃপক্ষ উৎসুলদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে বিদ্যালয় এবং অফিসে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। সেইসঙ্গে কড়া নজরদারি বাড়িয়েছে এসব সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর।
এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে স্কুলে হিজাব পরিধান নিষিদ্ধ করলে সংখ্যালঘু উতসুলরা বিক্ষোভ করে। দেশটির সামাজিক মাধ্যমে দেখা যায়, তিয়ানিয়া উৎসুল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে একদল হিজাব পড়া মেয়েকে পাঠদান কালে ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নথিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, মুসলিমদের আশেপাশের বাসিন্দাদের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে ‘সমস্যা সমাধান’ এবং ধর্মীয় ও ‘আরবি’ স্থাপত্যের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে।
এদিকে গত শুক্তবার অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসপিআই) রিপোর্টে বলা হয়েছে , শিনজিয়াংয়ে গত তিন বছরে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস বা আংশিক ভেঙ্গে ফেলেছে চীন। সেইসঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলিমদের বন্দি করে রাখতে আরো নির্মাণ করেছে বন্দিশিবির।
ইত্তেফাক/এসআর
