নারীর স্বাধীনতা, উন্নয়ন এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধিতে তাদের মেধা ও সম্ভাবনা বিনিয়োগে সরকারসহ নানা মাধ্যমের আন্তরিক প্রচেষ্টা, উদ্যোগ ও সহায়তা দিন দিন বাড়ছে ঠিক, কিন্তু আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র কি তাদের যথাযথ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছে? বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, শ্লীলতাহানির মতো জঘন্য সব সামাজিক ব্যাধির কবল থেকে আমরা কতোটা মুক্ত রাখতে পারছি? অতিসম্প্রতি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় মাঝরাতে এক প্রতিবন্ধী উপজাতি তরুণীকে ৮-১০ জন ডাকাত গণধর্ষণ করেছে। ঠিক তার দু’দিনের মাথায় সিলেটের এম সি কলেজে অর্ধডজন শিক্ষার্থী স্বামীকে আটকে তার স্ত্রীকে পাশবিক অত্যাচারে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করেছে। তাছাড়া, রাজধানীতে অসুস্থ স্বামীর জন্য রক্তের সন্ধানে থাকা এক মধ্যবয়সী গৃহবধূও হয়েছেন ধর্ষণের শিকার। মানুষরুপী পশুর ঘৃণ্য লালসার থাবা থেকে রক্ষা পায় না ৫ বছর বয়সী শিশুও! কিছু ঘটনায় মামলা হলেও স্থানীয় পর্যায়ে অনেকক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তথাকথিত সালিসে বসে প্রভাবশালী ধর্ষক কিংবা তার পরিবার থেকে সামান্য কিছু ক্ষতিপূরণ নিয়ে সম্ভ্রম হারানোর মূল্য চুকিয়ে দেয়! এভাবে আর কতদিন? ধর্ষকদের কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদাহরণ স্থাপিত হতে হবে। তাই এসংক্রান্ত মামলার বিচারকাজ সর্বোচ্চ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য জোর আবেদন করছি।
আবু ফারুক
বনরুপা পাড়া, বান্দরবান
