পুরোটা শীতকাল আমি কুয়াশা আচ্ছাদিত পাহাড়ের গুহাঘরে
রসি আর ঘুমেই বিভোর থাকতে চাই।
বিকেল কাটাতে চাই পানকৌড়ির ডানা শুকানোর ভঙ্গিতে
—সূর্যমুখী হয়ে,
সেই পূর্বপুরুষের মতো, যারা পাথরের করোটিতে
পান করতো তৃষ্ণার গাঁজন,
পশুর লোমশ চামড়া সেলাই করে
উষ্ণতা জমিয়ে রাখতো আসন্ন শীতের।
খরগোশ আর বনমোরগের মাংসের সৌরভে
সুর তুলে হাড়ের বাঁশিতে ক্যাম্প-ফায়ার ঘিরে নাচতো সন্ধ্যায়
মৌন পাহাড়ের যৌন অভিলাষী ঝরনার নৃত্য
প্রাগৈতিহাসিক ছন্দে চুনিয়ার মাতাল চুম্বনে
গাঢ় হতো জ্যোত্স্নার ঐকতান।
এক টিলা থেকে আরেক টিলায় ছড়িয়ে পড়তো সেই সুরের উত্তাপ
ঘামে ও উত্তাপে চুনিয়ার গা বেয়ে ঝরতো
দ্রাক্ষার অমিয় প্রশান্তি, প্রেম
নুড়িপাথরের অজস্র শীত্কারে।
