গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মাইরন বেগম (৪৮) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চকনারায়ণ গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর নিহতের স্বামী ও পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে।
নিহত মাইরন বেগম একই ইউনিয়নের বৈষ্ণবদাস গ্রামের লাবলু মিয়ার স্ত্রী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্র গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার মেয়ে।
সাদুল্লাপুর থানার উপ-পরির্দশক (এস আই) আনোয়ার হোসেন জানান, ‘ওই গ্রামের খাসা মিয়ার বাড়ির উত্তর পাশে জনৈক আনছার আলীর ফাঁকা জমিতে শনিবার সকালে ওই মাইরন বেগমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠায়।’
তিনি আরও জানান, ‘তারা স্বামী-স্ত্রী ঢাকার টঙ্গির আব্দুল্যাপুরে বসবাস করতো। সেখানে দুইজনেই সড়কের শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো। গত বৃহস্পতিবার দুইজনে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। এরপর শনিবার বাড়ির অদূরে তার লাশ পাওয়া যায়। তারপর থেকে তার স্বামী ও তার বাড়ির লোকজনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।’
নিহতের ছোট ভাই মোঃ ইউনুস আলীর অভিযোগ, তার বোনকে তার স্বামী ও তাদের পরিবারের লোকজন হত্যা করে লাশ এখানে ফেলে রেখেছে।
আরও পড়ুনঃ উপাচার্য ও একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের পরও ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন মাসুদ
সাদুল্লাপুর থানার ওসি আরশেদুল হক বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে মাইরন বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের সময় তার নিকট থেকে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। এ নিয়ে নিহতের স্বজনরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।’
ইত্তেফাক/নূহু
