মিথ্যা তথ্য দিয়ে ও ভুয়া এমপিও দেখিয়ে টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ড. মো. মহসীন হোসেন। একাধিক তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর এবার এই শিক্ষকের এমপিও স্থগিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
এ ছাড়া এই শিক্ষকের এমপিও স্থায়ীভাবে বাতিল করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে শিক্ষা বিভাগ। এ জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে কারণ দর্শানের নোটিশও দেওয়া হয়েছে। এই চিঠির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানকেও দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের জুন মাসে কলেজের গভর্নিং বডির সুপারিশের আলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহসীন হোসেনকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের অনুমতি দেন। সে আলোকে একই বছরের ৩০ জুন অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে অধ্যক্ষের অভিজ্ঞতার কাগজপত্র ঘেটে দেখা যায়, তিনি যে এমপিওভুক্তির ইনডেক্স ব্যবহার করেছেন তা ঠিক নয়। আসাদুল হক নামের আরেক ব্যক্তির ইনডেক্স নম্বর তিনি ব্যবহার করেছেন। তথ্য গোপন করে অধ্যক্ষ পদে এমপিওর জন্য আবেদন করলে আবেদন ফিরিয়ে দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ফলে এ নিয়ে বিপাকে পড়ে যায় গভর্নিং বডি।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ সংক্রান্ত চিঠি আমার কাছে পৌঁছালেই সভা ডেকে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
