ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী উলফাত আরা তিন্নী হত্যার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, তিন্নীকে (২৫) ধর্ষণ ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় তার মা হালিমা খাতুন বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে এ মামলার এজাহারভুক্ত লাবিদ হোসেন, নজরুল, তন্ময় ও আমিরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ঘটনার মূল হোতা তার বোনের স্বামী জামিরুল ইসলাম ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা সবাই ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার শেখপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, এলাকাবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা বিচার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নুরুন্নবী ইসলাম সবুজ ও সেক্রেটারি জি কে সাদিক যৌথ বিবৃতিতে তিন্নী হত্যার বিচারসহ দেশব্যাপী নারীর ওপর সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ।
তিন্নীর বোন মিন্নি আক্তার বলেন, আমাদের পরিবারের ওপর কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি কিন্তু আমাদের আত্মীয়দের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার বোন হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
শৈলকুপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুহসিন হোসেন জানিয়েছেন, এজাহারভুক্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে। ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, তিন্নীর মৃত্যুর বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।
