সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে ধান মজুদ রাখার দায়ে জয়পুরহাটের কালাই ও আক্কেলপুর উপজেলার কয়েকটি জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ৬ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কালাই উপজেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিতে ৪ চাতাল ব্যবসায়ীকে ৫৫ হাজার টাকা ও আক্কেলপুরের দুইজনকে ২৫ হাজার টাক অর্থদণ্ড করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা যায়, অবৈধ ভাবে ধান মজুদ রাখার দায়ে কালাই উপজেলার পাঁচশিরাবাজার ও হাতিয়রবাজার এলাকায় সোমবার বিকেলে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. মোবারক হোসেন পারভেজ পৃথক পৃথক ভাবে ৪চাতাল ব্যবসায়ীকে মোট ৫৫হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। সরকারি বিধি মোতাবেক কোনো অনুমোদিত চাতাল মালিকগণ ধান অধিক সময় ধরে অবৈধ ভাবে মজুদ রাখলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে উপজেলার পাঁচশিরাবাজার ও হাতিয়রবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন । এই অভিযান পরিচালনার সময় কালাই উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফারুক আলমগীরসহ সংবাদকর্মী ও পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
এই সময় কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট মো. মোবারক হোসেন পারভেজ দৈনিক ইত্তেফাকে বলেন, অবৈধ ভাবে ধান মজুদ রাখায় ৪ প্রতিষ্ঠানকে পৃথক পৃথক ভাবে মোট ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও খাদ্য শস্যরবাজার দর ঠিক রাখতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, গোডাউনে থাকা সকল ধান বর্তমান মূল্যে দ্রুত বিক্রির আদেশ দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সোমবার দুপুরে আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের ভাটকুড়ি নামক স্থানে অবস্থিত মেসার্স আমির মণ্ডল চাউল কলে নিয়মবহির্ভূত ধানের মজুদ রাখা আছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে কলের মালিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও একই এলাকার ধান ব্যবসায়ী আতিকুর রহমানের পুত্র এমদাদুল হক কে লাইসেন্স বিহীন ভাবে ধানের মজুদ রাখার অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এসএম হাবিবুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য পরিদর্শক অপূর্ব রায়হান ও গোলাম কিবরিয়া।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম হাবিবুল হাসান বলেন,উপযুক্ত কাগজপত্র না থাকায় এবং অবৈধভাবে গোডাউনে ধান মজুদ রাখার দায়ে ২ জন ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
ইত্তেফাক/এসআই
