ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ভালুকজান আছিম সড়কের মোড়ে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার রেখে সিএনজি ডিসপেন্সার (গ্যাস বণ্টনকারী) মেশিন দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে দুই মাস ধরে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কেশরগঞ্জ সড়কের পশ্চিম পাশে প্রায় ১০ শতাংশ জমির ওপর সিএনজি স্টেশনটি স্থাপিত। টিনশেড ছাপরা ঘরের ভেতরে একটি সিএনজি ডিসপেন্সার মেশিন বসানো রয়েছে। ঘরের সামনে একটি কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা। কাভার্ড ভ্যানে থাকা সিলিন্ডার থেকে পাইপের মাধ্যমে মাটির ওপর দিয়ে সরাসরি সিএনজি ডিসপেন্সারের মাধ্যমে গাড়িগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। গাড়ির চালক ও যাত্রীদের নেমে স্টেশনের ভেতরেই ধূমপান করতে দেখা যায়। দুই মাস ধরে স্টেশনটি চালু করা হলেও কোনো ধরনের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। ময়মনসিংহের কোনো এক সিএনজি স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানটিতে গ্যাস লোড করার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অস্থায়ী স্টেশনের মালিক মাসুদ শিকদার।
মাসুদ শিকদার বলেন, স্টেশনটির বৈধতা রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমোদন আনা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুর্ঘটনা কখন ঘটবে কেউ কী বলতে পারে? ঝুঁকির কিছু নেই। এখন প্রতিদিন লস হচ্ছে, স্থায়ীভাবে করলে সবকিছুর ব্যবস্থা থাকবে।
ব্যবসায়ী মুঞ্জুরুল হক বলেন, সিএনজি স্টেশনটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। সিএনজি স্টেশনটি এভাবে করা ঠিক হয়নি। উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা এস এম নুরুল ইসলাম জানান, সিএনজি স্টেশন করতে হলে আগে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখতে হবে। সিএনজি স্টেশনের অনুমতি নিতে এসেছিল, তাকে আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে আসতে বলেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ছিদ্দিক বলেন, অস্থায়ী সিএনজি স্টেশন অবৈধ। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
