জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। জাপানের যেসব কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসায় করছে তার ৭০ শতাংশ কোম্পানি ব্যবসায় সম্প্রসারণে আগ্রহী। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ। প্রতি বছর ৫০টি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে; কিন্তু বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। বিনিয়োগকারীরা আরো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ চায়। করসংক্রান্ত অনেক বিষয় আছে, যেগুলো দ্রুত সংস্কার করলে জাপানসহ অন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগকারীর জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগের অনেক আকর্ষণীয় স্থান হবে। গতকাল বুধবার জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অরগানাইজেশনের (জেট্রো) কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইউজি আন্দো রাজধানী বিজয়নগরের পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয় পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ইআরএফ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখনো সুযোগ রয়েছে, বাংলাদেশে হতে পারে জাপানোর অন্যতম বিনিয়োগের স্থান। সেজন্য বাংলাদেশ সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসময় ইআরএফ সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলাল, সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলামসহ ইআরএফ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
