কালীগঞ্জে বিকাশ প্রতারণার ফাঁদে পড়ে মোসলেমা নামে এক গৃহিণী হারালেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ব্যাপারে গতকাল দুপুরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক। প্রতারণার শিকার ঐ গৃহিণী উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের বাইয়াসূতি গ্রামের সৌদি প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
মোসলেমা জানান, ৬ অক্টোবর দুপুরে তার ব্যবহূত বিকাশ মোবাইলে ০১৮৭১৬৯৫৬৭৩ নম্বর থেকে ফোন করে অজ্ঞাত এক প্রতারক। অন্য প্রান্ত থেকে বলা হয়, গৃহিণীর বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভুল করে ১০ হাজার টাকা চলে যাওয়ায় তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেটি পুনরায় খুলতে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর লাগবে। তিনি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর দেন। পরে লাইনটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর দেড়ঘণ্টা পর বেলা আড়াইটার দিকে প্রতারক ০১৮২২১০৮৯৫৭ নম্বর থেকে আবার ফোন দেয় ঐ গৃহিণীকে। তখন তাকে বলা হয়, তার অ্যাকাউন্টটি চালু করতে হলে ০১৪০৭৯৮১৮৪৮, ০১৬০৯৬৫৬৮৮৬ ও ০১৬০৯৬৫৬৭৮২ নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য, যা পুনরায় ফেরত পাঠানো হবে বলে আশ্বাস দেয় প্রতারক। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে প্রথমে ৮০ হাজার ও পরে ৩০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু পরবর্তীতে ঐ নম্বরগুলোতে ফোন দিলেও প্রকারকরা তা রিসিভ করেনি।
কালীগঞ্জ থানা জানায়, অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
