লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বিয়ের ২২ দিন পর আছমা বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে রামগতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শিক্ষাগ্রাম এলাকার পাটোয়ারী বাড়ির একটি ভাড়া করা ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
আছমা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. পরানের স্ত্রী এবং কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের মো. আবদুল হকের মেয়ে। ২২দিন আগে তার বিয়ে হয়।
পুলিশ জানায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষাগ্রাম এলাকার পাটোয়ারীর বাড়ির একটি ঘরে আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় গৃহবধূর লাশ ঝুলতে দেখে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘরের চকিতে পড়ে থাকা পকেট নোটবুকে একটি হাতের লেখা পাওয়া যায়। ওই লেখায় ছিল “সবার মনে কষ্ট দিয়ে আমি নিজেই চলে গেলাম, আমাকে সবাই ক্ষমা করে দিবেন, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”। বুধবার বেলা ১২টার মধ্যে কোন এক সময়ে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ ধারণা করছেন।
বাড়ির মালিক আজাদ উদ্দিন জানান, গত সাত থেকে আট বছর ধরে পরান ঘর ভাড়া নিয়ে তার মা’সহ বসবাস করে আসছেন। পরান ও আছমা চট্টগ্রামে একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। এতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। প্রায় এক মাস আগে পরান আছমাকে নিয়ে এ বাড়িতে আসে। পরে আছমার বাবার উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে হয়।
রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় রামগতি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য লক্ষ্মীর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআর
