নোয়াখালী প্রতিনিধি
জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে এক নারীকে (৩৫) বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিওচিত্র ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গতকাল শনিবার আরো এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় রিমান্ডে থাকা তিন আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তকারী দল।
জানা গেছে, রিমান্ডে থাকা আসামি মাঈনুদ্দিন সাহেদের দুই দিনের রিমান্ড শেষ হলে দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করে পিবিআই। বিকালে সাহেদ জেলার ২ নম্বর আমলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেহ উদ্দিন মিজান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতের একটি সূত্র জানায়, এই আসামি নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। এ নিয়ে গত তিন দিনে রিমান্ডে থাকা ৯ আসামির মধ্যে পাঁচ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করল।
ঘটনাস্থলে তদন্ত টিম: সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মামলার ১ নম্বর আসামি নুর হোসেন ওরফে বাদল, ৩ নম্বর আসামি আবুল কালাম ও ৫ নম্বর আসামি মাঈন উদ্দিন ওরফে সাজুকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার ঐ নারীর বাড়িতে যান। এ সময় তারা ঐ নারীর বসতঘরে নির্যাতনের স্থান ও আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, দুইটি মামলার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআই পরিদর্শক মামুনুর রশীদ পাটোয়ারী এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের অন্য মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। এর আগে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের কাছ থেকে মামলা দুটির কাগজপত্র এবং রিমান্ডে থাকা ৫ আসামিকে তাদের হেফাজতে নেয় পিবিআই।
