মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, সিনিয়র শিক্ষক
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ
বিজিবি সদরদপ্তর, পিলখানা, ঢাকা।
বাংলা প্রথমপত্র:সৃজনশীল
অভাগীর স্বর্গ
১. নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
“কুসুম বিধবা হইয়াছে। শুনিলাম, তাহার স্বামী বিদেশে চাকরি করিত; দুই-একদিন ছাড়া স্বামীর সহিত সাক্ষাতই হয় নাই। পত্রযোগে বৈধব্যের সংবাদ পাইয়া, আট বত্সর বয়সে মাথার সিঁদুর মুছিয়া, গায়ের গহনা ফেলিয়া, আবার তাহার দেশে সেই গঙ্গার ধারে ফিরিয়া আসিয়াছে।”
ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভাগ্যের সন্ধানে কোথায় গিয়েছিলেন? ১
খ. ‘ক্যাঙালী বাঁচলে আমার দুঃখু ঘুচবে’- কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখ। ২
গ. উদ্দীপকের কুসুমের সাথে ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পের কাঙালীর মায়ের অবস্থানগত বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পের কাঙালীর মায়ের বিদায় পাওয়ার অভিপ্রায় কুসুমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি?- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪
ক. শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভাগ্যের সন্ধানে বার্মা বর্তমানে মায়ানমার গিয়েছিলেন।
খ. প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা কাঙালীকে ঘিরে কাঙালীর মায়ের সুখের প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে।
পৃথিবীর সব মা-ই তাঁর সন্তানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্ন দেখেন সন্তান বড় হলে এবং বেঁচে থাকলে তাঁর আর কোনো দুঃখ থাকবে না। সন্তান বড় হয়ে তাঁর সব দুঃখ দূর করবে। কাঙালীর মাও কাঙালীকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছেন। কেননা, কাঙালীই ছিল তার একমাত্র অবলম্বন। তাই অভাগী কেবল কাঙালীর বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। আর তাই দ্বিতীয় বিয়ের জন্য তাকে অন্যরা সাধাসাধি করলে তিনি বলেছেন, ‘ক্যাঙালী বাঁচলে আমার দুঃখু ঘুচবে’।
গ এবং ঘ-এর উত্তর আগামীকাল
