বইমেলায় স্টল ভাড়ার টাকা না নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পুস্তক প্রকাশকরা। তারা বলেছে করোনা মহামারিতে বই প্রকাশকরা বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছে। সেই অবস্থা কাটাতে বইমেলার দিকেই চেয়ে আছে সব প্রকাশক। এ অবস্থায় স্টল বরাদ্দের টাকা না নিয়ে প্রকাশকদের বইমেলায় অংশ নিতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। গতকাল বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীর কাছে মোট ১২ দফা প্রস্তাব পেশ করেন পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির রাজধানী শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ও সহসভাপতি শ্যামল চন্দ্র পাল।
এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে স্টল ভাড়ায় ছাড় প্রদান, মেলায় স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করতে যাবতীয় ব্যবস্থা একাডেমি কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত করা, মেলায় প্রবেশ পথের সামনে খাবারের দোকান না রাখা, করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি উপযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি স্টলের চারপাশে উন্মুক্ত স্থান রাখা এবং মেলা কমিটিতে প্রকাশনাসংশ্লিষ্ট সংগঠন থেকে ন্যূনতম সাত জন করে প্রকাশক প্রতিনিধি রাখার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয় প্রস্তাবনায়।
এ প্রসঙ্গে অন্য প্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে সব সেক্টরের ব্যবসায়ীরা আর্থিক প্রণোদনা পেলেও পুস্তক প্রকাশকরা কোনো প্রণোদনা পায়নি। ‘লিট ফেস্ট’ এ সরকার কোটি টাকার ওপরে অনুদান দেয়। আর বই মেলায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্টল বরাদ্দের টাকা আসে পৌনে ২ কোটি টাকার মতো। পুস্তক প্রকাশকদের কথা বিবেচনা করে সরকার এ টাকা ছাড়া দিলে অনেক প্রকাশক লাভবান হবে। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বইমেলায় অংশ নিতে পারবে।
