সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান নামের এক যুবকের মৃত্যুতে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। সংস্থাটি গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) মনে করে, পুলিশ হেফাজতে আটক যে কোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। ফলে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে পুলিশের জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মানবাধিকার সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা। এমএসএফ এ ক্ষেত্রে তার মৃত্যু যেভাবেই হোক না কেন, বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সিলেট শহরের আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার গুলতেরা মঞ্জিলের মৃত রফিকুল ইসলামের পুত্র রায়হান আহমদ (৩৪) নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেটস্থ ডা. আবদুল গফফারের চেম্বারে চাকরি করতেন। কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। ১০ হাজার টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে তিনি পরিবারকে ফোনে জানিয়েছিলেন। পরে টাকা নিয়ে গেলেও পুলিশ স্বজনদের সঙ্গে রায়হানের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয়নি। বরং ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রায়হানের লাশ পাওয়া যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হলেও গণপিটুনির চিত্র সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি
