ইত্তেফাক রিপোর্ট
ইলিশের উত্পাদন বাড়াতে আজ বুধবার থেকে আগামী ২২ দিন ইলিশ আহরণ ও বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার সময়ে যাতে ইলিশ আহরণ না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পুলিশ, র্যাব, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে কোনোভাবেই মা ইলিশ আহরণ করতে দেওয়া হবে না। এজন্য নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহলের পাশাপাশি অত্যাধুনিক উপায়ে মনিটর করা হবে; যেন কোনো নৌকা বা জাহাজ ইলিশ ধরতে না পারে। এমনকি বিদেশ থেকে কোনো মাছ ধরার যান্ত্রিক নৌযান আসলে সেটাকেও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আটক করা হবে।
এ প্রসঙ্গে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে বাধা দেওয়া দুর্বৃত্তদের প্রতি ন্যূনতম অনুকম্পা থাকবে না। যে সব সমস্যা ও প্রতিকূলতা রয়েছে তা আমাদের সদিচ্ছা ও সৃজনশীলতা দিয়ে অতিক্রম করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সচিবালয়ে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২০ সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটা সময় ইলিশ দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছিল। সেই ইলিশ এখন সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে যাচ্ছে। আমরা চাই ইলিশের উত্পাদন এমন পর্যায়ে পৌঁছাক যাতে দেশের সব মানুষ ইলিশ খেতে পারে।
মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বিভাগীয় কমিশনারগণ, নৌপুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগণ, মত্স্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালকরা, ইলিশ সম্পৃক্ত ৩৬ জেলার জেলা মত্স্য কর্মকর্তা, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের প্রতিনিধিরা অনলাইন সভায় অংশ নেন।
