উইমেন চেম্বারের আলোচনায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
কোভিড-১৯-এর জন্য যে প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে সেটি সঠিকভাবে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। ডিজিটাল ইকোনমিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে প্রথমেই প্রাতিষ্ঠানিক নারী উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিডব্লিউসিসিআই) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল কর্মশালায় গতকাল এ দাবি করা হয়। বিডব্লিউসিসিআইয়ের সভাপতি সেলিমা আহমাদের সঞ্চালনায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়ে তিনি এতে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করেন। তিনি বলেন, এই মহামারি পরিস্থিতিতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন নারী উদ্যোক্তারা। এজন্য আাাগামী বাজেটে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে আরো বেশি অর্থ বরাদ্দ রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন। আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম বলেন, অনলাইন ডিজিটাল ব্যবসায়ের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক লীলা রশিদ বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে অনেক নীতিমালা রয়েছে তবে তৃণমূল পর্যায়ে সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব কম পরিলক্ষিত হয়। বেশির ভাগ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তি এবং নীতিমালা অনুসরণ করতে অনীহা প্রকাশ করে। এ কারণে নারী উদ্যোক্তরা ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। যদি কোনো ব্যাংক ঋণ দিতে অস্বীকার করে সে ক্ষেত্রে লিখিত অভিযোগ করতে বলেন তিনি। অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের হট লাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান। সেলিমা আহমাদ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ডিজিটাল ব্যাংকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
