বেড়া (পাবনা) সংবাদদাতা
পাবনার বেড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বেড়া পৌরসভার মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আব্দুল বাতেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে বেড়া পৌরসভা মিলনায়তনে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিসহ তার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, বেড়া উপজেলার নগরবাড়ী-নটাখোলা ও কাজীরহাট আমদানি-রপ্তানি ঘাট দুটি বিধিমোতাবেক উপজেলা পরিষদের আওতাভুক্ত। উপজেলা পরিষদেরই ঘাট দুটির রাজস্ব আদায় করার কথা। কিন্তু সম্প্রতি পাবনা জেলা প্রশাসন তা উপেক্ষা করে ঘাট দুটি থেকে রাজস্ব আদায়ের (খাস আদায়) উদ্যোগ নেয়।
এ বিষয়টি বেড়াবাসীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি ২২ সেপ্টেম্বরের উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। পরবর্তী সভায়ও এটি অন্তর্ভুক্ত করার কথা। অথচ ঘটনার দিন অর্থাত্ গত ১২ অক্টোবর উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় এ বিষয়টি আলোচনা থেকে কৌশলে বাদ দেওয়া হয়। এতে তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন ও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছেন মাত্র। এ ছাড়া সেখানে কোনো ধাক্কাধাক্কি বা ইউএনওকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেনি।’
ইউএনওর সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র করে ঐদিন ঘটনাটির ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাতেন বলেন, তিনি চান ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হোক। তদন্ত হলেই সঠিক বিষয়টি বের হয়ে আসবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিষয়টিকে তিনি স্বাগত জানান বলে দাবি করেন। কারণ বরখাস্ত করায় বিষয়টি নিয়ে এখন সঠিক তদন্ত হবে বলে তিনি মনে করেন।
