আরব দেশগুলোর সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির পর শান্তির আশা ভেস্তে দিয়ে আবার অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি বাড়ানোর পথে এগুচ্ছে ইসরাইল।
বুধবার ইসরাইল পশ্চিম তীরে ১ হাজার ৩০০র বেশি নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে সেখানকার বেসরকারি ইহুদি বসতি-পর্যবেক্ষণ সংগঠন ‘পিস নাউ ’।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং বাহরাইনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ইসরাইলের শান্তিচুক্তি সইয়ের একমাসও হয়নি। এরই মধ্যে দেশটি প্রথম এই চুক্তির প্রতিশ্রুতি ভেঙে নতুন বাড়ি নির্মাণের সবুজ সংকেত দিল। আরবদের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরের আরো এলাকা দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইসরাইল।
কিন্তু পিস নাউ জানিয়েছে, ইসরাইলের পৌর প্রশাসনের পরিকল্পনা কমিটি পশ্চিম তীরের কয়েকটি এলাকায় ১ হাজার ৩১৩টি হাউজিং ইউনিট নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। আরো ৮৫৩টি ইউনিট নির্মাণেরও পরিকল্পনা আছে ইসরাইলের। তবে তা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। বেইত এল ইসরায়েলি বসতি এলাকায় ৩৫০টি হাউজিং ইউনিট তৈরি হবে। ইসরাইলি পৌর কমিটি সিদ্ধান্ত বেইত-এল এর জন্য এক দুর্দান্ত অর্জন।” ইসরাইলের এ সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনিরা খ্যাপলেও খুশি ইহুদি বসতির নেতারা। আর এই নেতারা খুশি থাকলে তাদের সমালোচনা থেকে রেহাই মিলবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ অবৈধ। কেবল ফিলিস্তিনিরাই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেশির ভাগই ইসরাইলের এ পদক্ষেপকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় হিসাবেই দেখে। ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর, গাজা এবং পূর্ব জেরুজালেম মিলিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়তে চায়। এনজিও ‘পিস নাউ’ বলেছে, পশ্চিত তীরে ইসরাইল নতুন বাড়ি অনুমোদন করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
