ঘিওরে গৃহবধূর মৃত্যু রহস্য পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:২৬

ঘিওরে শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুই পরিবারের পক্ষে পালটাপালটি অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কুস্তা গ্রামে। জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে বাবলি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মরদেহ তার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। শ্বশুরবাড়ির লোকজন এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও বাবলির স্বজনরা বলছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বাবলি কুস্তা গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে প্রবাসী সাইফুল ইসলামের স্ত্রী ও চর ঘিওর গ্রামের বাদল মিয়ার মেয়ে।

বাবলির খালা আসমা আক্তার জানান, গত দুই বছর আগে সাইফুলের সঙ্গে বাবলির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বাবলির স্বামী বিদেশে থাকে। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাবলির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করত। বুধবার সন্ধ্যার পরে তারা জানতে পারে বাবলি অত্মহত্যা করেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ তারা পায়নি। শ্বশুরবাড়ি থেকে জানানো হয়, মরদেহ থানায় নিয়ে গেছে। এমনকি বাবলির মৃত্যু নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলা হচ্ছে বলেও জানান আসমা আক্তার।

তিনি জানান, শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রথমে বলেছে বাবলি বজ পাতে মারা গেছে। তারা আবার বলেছে, সে অত্মহত্যা করেছে। তিনি আরো জানান, বাবলিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। এ ব্যাপারে বাবলির শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, বাবলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে নমুনা দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আত্মহত্যা। মরদেহ মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে, এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।