ঢাকা-৫ ও নওগাঁও-৬ আসনে নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে তারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী হলেন—ঢাকা-৫ আসনে মো. কাজী মনিরুল ইসলাম ও নওগাঁ-৬ আসনে মো. আনোয়ার হোসেন (হেলাল)। অনিয়মের অভিযোগ ভোট বর্জন করেন বিএনপির প্রার্থীরা। নওগাঁ-৬ সংসদীয় আসনে আজ রবিবার অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে বিএনপি।
শনিবার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনুষ্ঠিত এই ভোটে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম। ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনে সারা দেশে ভোট হয়। খণ্ড নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ কম থাকে।
বেসরকারিভাবে ঘোষিত ঢাকা-৫ আসনে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঘোষিত ১৮৭টি কেন্দ্রের সবকয়টি কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৪২ ভোট। বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৬ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মীর আব্দুর সবুর পান ৪১৩ ভোট। ভোট পড়েছে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ এবং ফলাফল বর্জন করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। আজ রবিবার নির্বাচনি এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৬৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রহসনের নির্বাচন আখ্যায়িত করে ভোট বর্জন করেন বিএনপি প্রার্থী। উপ-নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি। একই সঙ্গে এ আসনে অর্ধদিবস হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি।
