শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সহমত ঘোষণা
খুলনা অফিস ও খুবি প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সহমত পোষণ করার অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) চার শিক্ষকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে ১৩ অক্টোবর চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। চলতি বছরের ১ ও ২ জানুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সহমত পোষণ করাকে শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না দিয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট চার সপ্তাহের সময় চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন—বাংলা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল ফজল, একই বিভাগের প্রভাষক শাকিলা আলম, ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী এবং ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক আয়েশা রহমান আশা।
শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষক বাংলা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল ফজল বলেন, আমাদের চার জন শিক্ষকের কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জবাব দেওয়ার জন্য মাত্র তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। যা খুবই কম সময়। ফলে আমরা ঐ সময়ের মধ্যে জবাব দিতে পারিনি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে এক মাসের সময় চেয়েছেন। তারা যাতে পূজার ছুটির পর জবাব দিতে পারেন সেই সময় তাদের দিব।
সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলনের প্রায় দুই মাস আগে ১৩ নভেম্বর আবাসন সংকটের তীব্রতা, ন্যূনতম মানসম্পন্ন চিকিত্সাব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেয়। কিন্তু প্রশাসন বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকলে ১ জানুয়ারি আন্দোলনে নামে ছাত্ররা।
