মার্চেই পথ চলতে শুরু করবে ফুটবল একাডেমি

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৯

স্পোর্টস রিপোর্টার

ফুটবল একাডেমি মার্চেই আলোর মুখ দেখবে। মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। তিনি বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে একটু ভেতরেই বেরাইদ নামের যে এলাকাটি রয়েছে সেখানেই হতে যাচ্ছে ফুটবল একাডেমি। ফর্টিস গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগে খেলার মাঠ তৈরি করেছে। কিন্তু এই ফর্টিস গ্রুপ কাজী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চায়। সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে বাফুফে সভাপতিও বেরাইদের মনোরম পরিবেশে ফুটবল একাডেমির পথে হাঁটতে শুরু করেন। গতকাল দুপুরে ডেভেলপমেন্ট কমিটির সভা হয়েছে।

বাফুফে চাইছে ৬০ জন ফুটবলার সেখানে রাখবে। অনূর্ধ্ব-১৪, ১৫, ১৬ বিভিন্ন বয়সের ফুটবলার থাকবে। তবে ৬০ জন নাও হতে পারে। প্রতিভাবানদের নেওয়া হবে। কম থাকলে কম, বেশি থাকলে বেশিই রাখা হবে। ফুটবল একাডেমির অর্থ যোগানের বিষয়ে সালাউদ্দিন জানান, তারা কয়েকজন মিলে অর্থ যোগাবেন। প্রাথমিকভাবে এক দেড় কোটি টাকা খরচা হবে। যেটা বাফুফের সভাপতি সংগ্রহ করবেন বলে জানিয়েছেন। দেশি এবং বিদেশি মিলেই একাডেমির কোচিং ষ্টাফের দায়িত্ব পালন করবেন।   পরিকল্পনায় হাঁটতে গিয়ে নারী ফুটবলে যে সাফল্যের জয়গান বাজছে, তা অনুসরণ করতে চায় বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটি।

ফুটবল একাডেমি পরিচালনা করতে হলে প্রচুর অর্থ চাই। কারণ পাহাড়সমান ব্যয়। রাতারাতি ফসল তোলার সুযোগ নেই। কিন্তু বছরের পর বছর চলতে চলতে একটা সময় গিয়ে সাফল্যের মুখ দেখে একাডেমি। চাইলেই এটাকে পকেটের টাকা দিয়ে চালানো সম্ভব নয়। এর জন্য সরকারি সহযোগিতাও প্রয়োজন। সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, তারা সরকারের কাছে সহায়তা চাইবেন। সম্প্রতি জর্ডানের ফুটবল সংস্থার সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করে এসেছেন সালাহউদ্দিন। ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি বলেন,‘আমাকে দেখে জর্ডানের সভাপতি বলছিলেন তোমাকে খুঁজছি। কেন জানতে চাইলে তিনি একাডেমির প্রসঙ্গ তোলেন। আমিও লুফে নিলাম। যাই হোক তারাও আমাদেরকে একাডেমির জন্য সহায়তা করবেন। কি ধরনের সহায়তা সেটা দুই দেশের সঙ্গে আলোচনা হওয়ার পর চুক্তি হবে।’

সিলেটের শাখা বিকেএসপি নিয়ে ফুটবল একাডেমির প্রসঙ্গটি উঠলে তিনি দাবি করেন ফিফার সভাপতি সেফ ব্লাটারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে ফিফার স্পেশাল ফান্ড হতে পাঁচ লাখ ডলার পেয়েছিলাম। কিন্তু ওটা দিয়ে ফার্নিচার কেনা, বিল্ডিং রিপেয়ারিং খরচ, মাঠ সংস্কার, ক্রীড়াসামগ্রী কেনা, ক্যাম্পটাকে প্রস্তুত করানোর খরচ, দেড় বছর ক্যাম্প চলেছে। নির্দিষ্ট একটা অর্থ দিয়েতো সারাজীবন চলা সম্ভব না।’ এখানে ওই সমস্যাটা হবে না কারণ আমরা পাঁচজন হোক সাতজন হোক আড়াই কোটি টাকা এনে দেব। এরপরেও চালাবো।’

সালাহউদ্দিন বলেন,‘আগে এ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বাদল রায়। তার শরীর খারাপ হওয়ার পর কমিটি নেতৃত্ব শূন্য ছিল বলে আমি নিজেই দায়িত্ব নেই। এ কমিটি গঠন করা হয়েছে সাবেক ফুটবলারদের প্রাধান্য দিয়ে।’