সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্র ২৯ তারিখ রাতে জনগণের বিরুদ্ধে ভোটযুদ্ধে নেমেছিল —নাগরিক ঐক্য

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:০১

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক নাগরিক ঐক্যের প্রতিনিধি সভায় দলটির নেতারা ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, ২৯ ডিসেম্বর রাতের বেলা বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেক কালো অধ্যায় রচিত হয়েছে। ৩০ তারিখের ভোটগ্রহণের অর্ধেক কাজ তারা এই কালো রাতেই সম্পন্ন করে। রাতভর ভোট কেটে বাক্সে ভরে তারা। নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্র ২৯ তারিখ রাতে জনগণের বিরুদ্ধে এক ভোটযুদ্ধে নামে এবং জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে বিজয় অর্জন করে। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে গতকাল রবিবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা থেকে গণমাধ্যমে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ২৯ ডিসেম্বর রাতে প্রিজাইডিং অফিসাররা ব্যালট কাটতে অস্বীকার করলে তাদেরকে সহযোগিতা করতে বাধ্য করা হয়। রাতের বেলা ভোট কাটা প্রতিরোধ করতে আসা জনগণকে মারপিট করে ছত্রভঙ্গ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ফাঁকা গুলি চালানো হয় এবং এ কাজে বিজিবি-পুলিশসহ প্রশাসন অংশগ্রহণ করে।

নির্বাচনের অব্যবহিত পরে সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সংঘটিত পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় প্রতিনিধি সভায় নিন্দা জানিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে তাদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করা হয়। এছাড়া নারী শিক্ষা বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে অনতিবিলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহারের ও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় নাগরিক ঐক্য।