করোনা মহামারির কারণে প্লে অফ ম্যাচের ঠিক আগেই থমকে গিয়েছিল পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। করোনা ভাইরাস বিদায় না হলেও ক্রিকেট আস্তে আস্তে ফিরতে শুরু করেছে। পাকিস্তানেই জিম্বাবুয়ে এর মধ্যে সফর শুরু করেছে। এবার পিএসএলের বাকি চারটি ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিসিবি। আর করাচির এই প্লে অফে পিএসএলে খেলবেন বাংলাদেশি দুই তারকা তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
১৪ নভেম্বর করাচিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর ম্যাচ। ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার। আর ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। কোয়ালিফায়ারে চারটি দল হলো করাচিং কিংস, মুলতান সুলতানস, পেশোয়ার জালমি ও লাহোর কালান্দারস। করাচি ও মুলতানের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম কোয়ালিফায়ার। আর পেশোয়ার ও লাহোর খেলবে এলিমিনেটরে।
তামিম ইকবাল খেলবেন লাহোরে। আর মাহমুদউল্লাহ খেলবেন মুলতানে। এই দুজনকে পিএসএল খেলার অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারটা নিশ্চিত করে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, ‘আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছি এবং আমরা বলেছি যে, তারা চাইলে যেতে পারে। সেটার আন্ডার প্রসেস আছে। তারা আমাদের কাছে আবেদন করেছেন এবং বোর্ড এটা পজিটিভলি দেখছে।’
বাংলাদেশে আবার কিছু দিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি। তামিম ও রিয়াদ ফিরেই সেটা খেলতে যাতে পারেন, সে জন্যও প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বিসিবি, ‘যারা বিদেশ থেকে আসে তাদের একটা সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা আছে। তারপরও আমাদের কিছু স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস আছে, আমরা গত টুর্নামেন্টে ঐ প্র্যাকটিসটা করেছিলাম। যারা ফরেন কোচে এসেছিলেন এবং অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। এই ধরনের কোনো প্রটোকল কার্যকর করা যায় কি-না, সে ব্যাপারে সরকারের যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ আছে তাদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে আমরা প্রসিড করব।’
এবার প্লে অফে এই চারটি দলই মিস করছে তাদের মূল তালিকায় থাকা বেশ কিছু বিদেশিকে। কারণ, এই সময়ে কয়েকটি দলের আন্তর্জাতিক খেলা চলবে। যেমন কাইরন পোলার্ড পেশোয়ারের হয়ে খেলতে পারবেন না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঐ সময়ে নিউজিল্যান্ড সফর চলবে। তার বদলে পেশোয়ারে আসবেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।
প্লেসি এই খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘আমি পেশোয়ারের হয়ে পিএসএল খেলার সম্ভাবনায় রোমাঞ্চিত। ২০১৭ সালে আইসিসি একাদশের হয়ে পাকিস্তানে খেলার দারুণ অভিজ্ঞতা আছে আমার। আশা করি, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও একই ধরনের অভিজ্ঞতা হবে।’
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
