মিথ্যা মামলায় বাদীপক্ষের শাস্তির বিধান হোক

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২০, ২২:০০

গত ১৩ অক্টোবর ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংশোধিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই জঘন্য অপরাধ দমনে আইনটি খুবই যুগোপযোগী বলে মনে করছি। তবে স্বার্থবাদীদের এই আইনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নিরপরাধ ব্যক্তির জীবন দুর্বিষহ করার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রায়ই শোনা যায়, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রেমিকা প্রেমিকের নামে এবং এক শ্রেণির মানুষ তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য শত্রুপক্ষের নামে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দায়ের করে থাকে। এসব কারণে বহু অপরাধী ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও নিরপরাধ ব্যক্তি ফেঁসে যায়। মামলার পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে লেগে যায় কয়েক মাস কি কয়েক বছর। এই পুরো সময়টুকুই মিথ্যা মামলার কবলে পরা নিরীহ লোকটিকে সমাজে মাথা নিচু করে চলতে হয়, শুধু তাই নয় তার পরিবারটিও সমাজে নানা বঞ্চনার শিকার হয়ে থাকে। তাই মিথ্যা মামলা দায়ের করলে এবং তার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা বাঞ্ছনীয়। এটা সামাজিক অস্থিরতা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মাহমুদুল হাসান ইজাজ

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ,

ঢাকা কলেজ