সংবিধানে অনুসৃত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে সোনার বাংলা গড়তে হবে ---------------------স্পিকার

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২০, ০১:০৩

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আমাদের সংবিধান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গভীর অনুভূতির ফসল। স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি বাঙালি জাতিকে উপহার দিয়েছেন বিশ্বসেরা অনন্য সংবিধান। এই সংবিধানের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে সংবিধানে অনুসৃত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শনের আলোকে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ৪৯তম দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গতকাল আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন এবং ’৭২ এর সংবিধান’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ড. শিরীন শারমিন বলেন, ১২ অক্টোবর ১৯৭২ গণপরিষদে এবং ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সংবিধান প্রণয়নের দিনে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ভাষণ দুটোতে সমগ্র সংবিধান প্রণয়নের কাঠামো ও প্রেক্ষাপটের পরিপূর্ণ প্রতিফলন রয়েছে। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে বঙ্গবন্ধু পরেরদিন ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ ‘প্রভিশনাল কনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ অর্ডার ১৯৭২’ প্রণয়ন করেন, যেখানে গণপরিষদকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। পরবর্তীতে, ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেন, যা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়। বঙ্গবন্ধুর কাছে স্বাধীন বাংলার মাটিতে বসে বাঙালিকে সংবিধান উপহার দিতে পারার চেয়ে বেশি আনন্দের আর কিছু ছিল না।

খন্দকার আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট আজহারুল্লাহ ভূইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনও ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।