ধর্ষণ মামলায় কলেজ অধ্যক্ষ কারাগারে

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২০, ০১:১১

বরিশালে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাকেরগঞ্জের কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে অধ্যক্ষ জামিন আবেদন করলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর এলাকার আব্দুর রশিদ মাতুব্বরের ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, বাকেরগঞ্জের ৭ নম্বর কবাই ইউপির সোনাকান্দা গ্রামের ঐ তরুণীর সঙ্গে অটোরিকশায় যাতায়াত করার সুবাদে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরে অধ্যক্ষ তাকে বিভিন্ন সময় ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেন ও তার কলেজে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান। এতে দুই জনের মধ্যে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় ঐ তরুণীর বাড়ি গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে শহিদুল তালবাহানা করেন।

এ ঘটনায় গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন ঐ তরুণী। মামলার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। আগাম জামিনের মেয়াদ শেষে অধ্যক্ষ গতকাল ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।