সব দূরত্ব ঘুচিয়ে সবাইকে নিয়ে কাজ করবো: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:৪৫

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন নবনির্বচিত জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। মন্ত্রণালয়টিকে পরিণত করতে চান একটি আদর্শ মন্ত্রণালয়ে। শূন্যের কোটায় আনতে চান দুর্নীতি। গুরুত্ব দিলেন তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণের ব্যাপারেও। প্রতিমন্ত্রী জানান, 'অভিজ্ঞতাই তার আত্মাবিশ্বাসের কারণ।'

আগের দুই সরকারের আমলে একই মন্ত্রণালয়েরই সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন গাজীপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত তিনবারের এই সংসদ সদস্য।

এক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমি দীর্ঘ ১০ বছর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার পিতা আহসান উল্লাহ মাস্টার একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তাই আমার প্রতি সবার প্রত্যাশার চাপটা বেশি। তবে এতে আমি ভীত নই। এটিকে 'চ্যালেঞ্জ' হিসেবে নিয়ে এর মোকাবেলা করতে চাই। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সক্ষমতা আমার রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, ‘ফেডারেশনগুলোকে যাতে অর্থের অভাবে ধুকতে না হয় সে চেষ্টা করবো।সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি যাতে বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা যায় সে জন্য ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে আমি নিজেও উদ্যোগ নেবো।

ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়াপরিষদের (এনএসসি) কর্মকর্তাদের দূরত্ব ঘোচানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কাজ করার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়, এনএসসি, ফেডারেশন সবার পরামর্শ নেবো। সব দূরত্ব ঘুচিয়ে সবাইকে নিয়ে কাজ করবো। '


ফেডারেশনের নানা অনিয়ম ও সংগঠকদের মধ্যে সম্পর্কের টানপোড়েনের প্রভাব মাঠের খেলায় যাতে না পড়ে সে জন্য সব ফেডারেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অচিরেই বৈঠকের বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উল্লেখ করে রাসেল বলেন, ‘সবার মতামতের ভিত্তিতেই আমি ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সাজাতে চাই। ক্রীড়াঙ্গণে গণতান্ত্রিক ধারাও বজায় থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বরাত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,‘ প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়ামোদী, ক্রীড়া বান্ধব সরকার গঠনের মাধ্যমে যার প্রমাণ তিনি দিয়ে চলেছেন। অর্থমন্ত্রীও ক্রীড়ার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহী। আমার সঙ্গে আলোচনাকালে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন কাজে তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’

ইত্তেফাক/অনি