নেতৃত্ব নয় পারফরম্যান্সেই সাকিবের নজর

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২০, ২১:১১

গত বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে অনন্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে রাঙিয়েছেন বিশ্বকাপ। ঈর্ষণীয় এই পারফরম্যান্সের পর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার আগেই নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে পাওয়া শাস্তির সময়টা কেটে গেছে। মুক্ত সাকিব এখন ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায়।

নিষিদ্ধ হওয়ার আগে টেস্ট ও টি-২০ তে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। ফিরেই আবার জাতীয় দলের নেতৃত্ব নিয়ে মনোযোগী হতে চান না তিনি। বরং ব্যাট-বলে আগের মতোই কার্যকর পারফরমার হওয়াই সাকিবের মূল টার্গেট। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকার উদ্দেশে বিমানে চড়ার আগে সাংবাদিক ও ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এমনটা জানিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

অধিনায়কত্বের দায়িত্বে ফেরা প্রসঙ্গে সাকিব বলেছেন, ‘আসলে আমার মাথায় একটা জিনিসই আছে যে কীভাবে আমি ফিরে আসতে পারি এবং কীভাবে আমি আগের পারফরম্যান্স ফিরে পাই। এই নিষেধাজ্ঞার আগে আমার যে পারফরম্যান্স ছিল সেই জায়গায় যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে আসতে পারি। এরপর যেন সেখান থেকে আরো বেশি উন্নতি করতে পারি।’

নিজের ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ জেতাকেই সবচেয়ে বড় মুহূর্ত হবে বলে উল্লেখ করেছেন সাকিব। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘সেরা মুহূর্ত তো আমি মনে করি এখনো আসেনি। যখন আসবে সেটা হবে হয়তো বাংলাদেশের হয়ে কোনো ওয়ার্ল্ডকাপ জেতা। সেটা টি-টোয়েন্টি হোক, ওয়ানডে হোক। সেটা হবে সব থেকে বড় মুহূর্ত।’

গত বছর জানুয়ারি থেকেই আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব বিষয়ে তদন্ত করছিল এবং সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তাদের সহযোগিতা করতে হয়েছে সাকিবকে। একটা বিষম চাপ নিয়েই সময় কেটেছে তার এবং তা নিয়েই দুর্দান্ত পারফরম করেছেন বিশ্বকাপে। পরে অক্টোবরে নিষিদ্ধ হন তিনি।

চ্যালেঞ্জিং সেই সময়টা মনে করতে গিয়ে সাকিব বলেছেন, ‘আমার তো মনে হয় খুবই চ্যালেঞ্জিং। আপনি যেটা বলেছেন যে হ্যাঁ, অনেক দিন ধরেই এটা তদন্ত চলছিল কিংবা রেগুলার আমার সঙ্গে ওরা যোগাযোগ করছিল। স্বাভাবিকভাবেই আমার জন্য একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি ছিল এবং এটা কখনই একটা খেলোয়াড়ের জন্য নাইস একটা ফিলিং না কিংবা নাইস একটা কথা না যেটা নিয়ে আপনি ঘুমাতে যেতে পারবেন। সেদিক থেকে অবশ্যই ডিফিকাল্ট সময় ছিল।’