বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ৭০০ শয্যাবিশিষ্ট দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যে হাসাতালের মূল ভবন দুই তলা বেজমেন্টসহ সব ফ্লোর নির্মাণসহ কাঠামোগত কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। ভবনে ইটের কাজ, প্লাস্টার, ফিনিশিং ওয়ার্ক, বেস প্যানেল, টেরাকোটা প্যানেল, অ্যালুমিনিয়াম লুবার, অ্যালুমিনিয়াম শিটসহ অন্যান্য কাজসহ সামগ্রিক কার্যক্রম ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।
সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ হাসপাতালের নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি সভায় মিলিত হয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালের নির্মাণকাজসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন। এ সময় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি অনুষদের ডিন ও হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়েটিক অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিশ্বমানের এই হাসপাতালটির সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালের নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ৬৫০ শ্রমিক দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এই হাসপাতালটিতে একজন রোগী একই সেন্টার থেকে সব ধরনের সেবা নিতে পারবেন। হার্ট, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে অক্রান্ত রোগীদের একই সেন্টার থেকে বিশ্বমানের চিকিত্সাসেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। বিশ্বমানের সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতিতে সমৃদ্ধ থাকবে হাসপাতালটি। রোগীদের সব রেকর্ড রাখা হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে।
