ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে প্রবাসী ও নলছিটিতে যুবক গ্রেফতার

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪৯

সাভারে গৃহবধূ ও কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সাভারে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় সৌদি প্রবাসী এবং ঝালকাঠির নলছিটিতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালীতে নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টায় গ্রেফতার হয়েছে সাবেক স্বামী ।

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার জানান, সাভারে গৃহবধূ ও এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে সাভার মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাভারের পূর্ব রাজাশন এলাকা থেকে গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে মিজানুর রহমান নামে এক সৌদি প্রবাসীকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, কিছুদিন আগে ফেসবুকে সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের সঙ্গে ঐ গৃহবধূর পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে ওঠে। সম্প্রতি মিজানুর দেশে ফিরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাভার পৌর এলাকার ওয়াপদা রোডের একটি বাড়িতে নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার রাতে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন ঐ গৃহবধূ। পুলিশ রাতেই তাকে গ্রেফতার করে।

অন্যদিকে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর বগুড়ায় নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে রেজাউল নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন ঐ কিশোরীর মা। ধর্ষক যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, নলছিটিতে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মনির হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মালোয়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মনির একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে মনির প্রতিবেশী সপ্তম শ্রেণির ঐ ছাত্রীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার থানায় মামলা করেন ধর্ষিতার মা।

এ দিকে নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, বুধবার রাতে জেলা শহর মাইজদীর রাস্তা থেকে এক স্বাস্থ্যকর্মীকে (১৯) তুলে নিয়ে তার সাবেক স্বামী ইসমাইল হোসেন বাপ্পী ও তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে রাতভর নির্মম নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নির্যাতিতা তার সাবেক স্বামী ইসমাইল হোসেন বাপ্পী এবং তার তিন বন্ধু রহিম, আরমান ও সাগরসহ চার জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গভীর রাতেই বাপ্পীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত বাপ্পী কবিরহাট উপজেলার নবগ্রামের মো. ইউসুফের ছেলে। সুধারাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া জনান, অন্য আসামিদের গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।