>> মো. আশরাফুল ইসলাম সুমন
মহামারি করোনায় থমকে গেছে বিশ্ব। সেইসঙ্গে থমকে গেছে সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক গতি। গত মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনার এই সময়ে অলস সময় পার করতে হচ্ছে লাখো শিক্ষার্থীকে। কিন্তু মহামারির এই পরিস্থিতিতেও থেমে থাকেননি যশোর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী হোমায়রা তাবাসসুম ইল্লিন। বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা খুবই কম। এর বড় কারণ সামাজিক ও পারিবারিক দিক থেকে বিভিন্ন প্রতিকূলতা। বলা যায়, বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক অবস্থায় এখনো নারী উদ্যোক্তাবান্ধব হয়ে ওঠেনি। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে অনেক নারী উদ্যোক্তা হয়েছেন। আর এমন নারীদের মধ্যে ইল্লিন একজন।
ইল্লিন বলেন, স্কুলজীবন থেকেই বিভিন্ন ধরনের ক্রাফটিং পারতাম আমি।আর্ট বা ক্রাফটিং বিষয়ক শিক্ষাটি পেয়েছি আমার স্কুুলের চারুকলা বিষয়ক শিক্ষিকা তাসনুভা রহমান মিতুর কাছ থেকে। আগে থেকেই আমি শখের বসে গয়না বানাতাম, তবে সেটা শুধু নিজের জন্যে। এই করোনা মহামারিতে বাসায় বসে যখন সময় কাটছিল না তখন মনে হলো বাসায় বসে কিছু করা যেতেই পারে। সেই থেকেই পথচলা শুরু ‘রূপকথা’ ফেসবুক পেজের। আমি মূলত কাঠের ও মেটালের গহনা তৈরি। কাঠের ওপর নানা রকমের পেইন্ট করে এসব গহনা বানাই। খুব অল্প সময়ে ‘রূপকথা’ অনেক গ্রাহকের কাছে পৌঁছে গেছে। আমার এই পথচলায় আমার সঙ্গী হিসেবে আছে আমার মেডিকেলের জুনিয়র দীপান্বিতা কর্মকার। বর্তমানে আমরা দুইজন মিলে কাজ করছি। শুরু থেকে আমি আমার পরিবার থেকে সব রকমের সাহায্য পেয়েছি। এটা আমার জন্যে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। দক্ষতার সঙ্গে আমরা চেষ্টা করেছি ভালো সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনের। গ্রাহকের কাছে তাদের পছন্দের হাতে তৈরি করা গহনা পৌঁছে দিতে পেরে আমরাও দারুণ খুশি।
