স্পোর্টস রিপোর্টার
বাফুফে এখনো হাতে চিঠি পায়নি। তবে এএফসির ওয়েবসাইটে উঠে গেছে আগামী ৪ ডিসেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় বাংলাদেশ-কাতার বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচ। ফিফা ও এএফসি অনুমতি দিয়েছে। আর সে কারণেই এএফসিও তারিখ জানিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে তুলে দিয়েছে। বাফুফে বলছে, আমরা দু-একদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়ে যাবো। চিঠিতো পাবে তবে বাফুফে যে শর্ত দিয়েছে তার কী হবে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বললেন, ‘একটা শর্ত পূরণ হয়েছে আগামী ৪ ডিসেম্বর ম্যাচ হবে। বাকি যে দুটি শর্ত রয়েছে, তাও পূরণ হবে আশা করছি।’
কাতারে গিয়ে কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও অনুশীলন করতে দিতে হবে এবং ৪ ডিসেম্বরের ম্যাচের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে দোহার দুটি ক্লাবের বিপক্ষে। সোহাগ জানালেন এগুলো ঠেকে থাকবে না। সোহাগ বেশ আত্মবিশ্বাসী। কারণ বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে কাতার ফুটবলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক। বাফুফে কিছু চাইলে কাতার ফিরিয়ে দেয় না। অতীতে সবসময় বাফুফের পাশেই ছিল কাতার ফুটবল সংস্থা।
ফিফা সব সময় একটা কথা বলে আসছিল, কোনো দেশ চাইলে তারা পরস্পর বুঝে-শুনে খেলতে পারবে। কাতার ও বাংলাদেশ নিজেদের সম্মতিতে খেলবে। এই ম্যাচ কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের বাছাইয়ের ম্যাচ হিসেবে গণ্য হবে। এই গ্রুপে খেলেছে বাংলাদেশ, কাতার, ভারত, আফগানিস্তান, ওমান। ঢাকায় এই দলের মুখোমুখিতে কাতার জিতেছিল ২-০ গোলে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠে হেরে গেলেও দারুণ খেলেছিল জামাল ভূঁইয়ার বাংলাদেশ।
ঢাকায় ১৩ ও ১৭ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রীতিম্যাচ। ১৯ নভেম্বর কাতার রওনা হবে বাংলাদেশ। ২২ নভেম্বর সেখানে অনুশীলন শুরু করার একটা পরিকল্পনাও তৈরি করে রেখেছেন দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ১২ দিন হাতে সময় থাকবে। এর মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।
কোচ জেমি ডে অবশ্য এই নিয়ে ভাবছেন না বাফুফে কাতার নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। জেমির লক্ষ্য হলো কীভাবে ঢাকায় থাকা অবস্থায় দলটাকে একটা ভালো অবস্থান নেওয়া যায়।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ফুটবল দল এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠে নেপাল ফুটবল দল অনুশীলন করছে। বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে এখনো ফিনেসের ঘাটতি আছে। ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন বললেন, ‘আমাদেরকে করোনাকালীন সময়ে যেভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল, সেভাবে কাজ করেছিলাম বলেই এখন এগিয়ে যেতে পারছি।’ পুরোপুরি ফিটনেস আসেনি সে কথা সহজেই বলছেন খেলোয়াড়রা। ডিফেন্ডার তপু বর্মণ বললেন, ‘ফিটনেস লেভেল ৯০ ভাগ হয়েছে। এখনো ১০০ ভাগ হয়নি।’ তপু মনে করছেন মাঠে নেমে যদি সব খেলোয়াড় পুরোটা দিতে পারে, তাহলে ১০০ ভাগ পুরো হতে পারে।
