অ্যাসাইনমেন্ট পেপারের মূল্য বৃদ্ধি

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২০, ২১:৪১

করোনা ভাইরাস থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ রাখতে এবং  শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে অনলাইনে পাঠদান করা হয়। শিক্ষাবর্ষ প্রায় শেষের দিকে—এজন্য শ্রেণি পরিবর্তনের জন্য বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। কিন্তুু কোভিড ১৯-এর প্রাদুর্ভাবে অ্যাসাইনমেন্টের জমা নেওয়ার মাধ্যম মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের অনেকে অ্যাসাইনমেন্ট কী তাও ঠিকমতো জানে না। এই সুযোগে কিছু প্রতিষ্ঠান যেন সব দায়িত্ব সাধারণ দোকানদারদের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। শিক্ষকরা তাঁদের শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট দোকানের ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছেন। সেই দোকানেই ঐ প্রতিষ্ঠানের সিলেবাস সংগ্রহ এবং অ্যাসাইনমেন্টের কভার পেজের  ডিজাইন তারাই নির্ধারণ করছে। মফস্সলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিষয়টি বুঝতে না পারায় নির্দিষ্ট দোকানে গিয়ে ভিড় করছেন। কেননা শিক্ষার্থীদের শিক্ষক বুঝিয়েছেন ঐ নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া অন্য জায়গা থেকে অ্যাসাইনমেন্ট পেপার নিলে তা যথাযথ হবে না। শিক্ষার্থীদের আবেগকে পুঁজি করে অসাধু দোকানদার সাধারণ একটি A4 সাইজের পেপারের দাম রাখছে দুই টাকার বেশি। এমনকি কয়েক পৃষ্ঠা ফটোকপি সিলেবাসের সঙ্গে ১০-১৫টি A4 সাইজের পৃষ্ঠা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে শত টাকার বেশি। অভিভাবকরা যথাযথ দাম না জানার কারণে তাদের এমন অনৈতিক আচরণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই শ্রেণির লোক সর্বদা থেকে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের নজরের বাইরে।

রাকিব হাসান

শিক্ষার্থী, আল ফিকহ অ্যান্ড লিগাল স্টাডিজ,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া