সেরেনা, ভেনাস দ্বিতীয় রাউন্ডে
স্পোর্টস ডেস্ক
সেরেনা উইলিয়ামস ও রজার ফেদেরার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে জয়ী সূচনা করেছেন।
এর মধ্যে সেরেনার জয়টি ছিল দাপুটে। গতকাল মঙ্গলবার মেলবোর্নে অনুষ্ঠানরত বছরের প্রথম এ গ্র্যান্ড স্ল্যামে মাত্র ৪৯ মিনিটে জার্মানির তাতজানা মারিয়াকে ৬-০ ও ৬-২ গেমে হারান তিনি। ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার মালিক সেরেনা অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিলেন ২০১৭ সালে।
সেরেনা কন্যা সন্তান জন্মদানের কারণে গত বছরের আসরে শিরোপা রক্ষায় আসেননি। সে হিসেবে এটা ছিল মেলবোর্নে তার প্রত্যাবর্তন ম্যাচ। এ ছাড়াও গেল সেপ্টেম্বরে ইউএস ওপেনের ফাইনালে বিতর্ক ছড়ানো ঘটনার পর আবার কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলতে কোর্টে নামার ঘটনা।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ১৬তম বাছাই সেরেনা এ জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ইউজিন বুচার্ডের প্রতিপক্ষ হলেন। বুচার্ড ৬-২, ৬-১ গেমে হারান চীনের শউই পেংকে। উইলিয়ামস বোনদের অপরজন ভেনাস পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে সক্ষম হন। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম বাছাই তালিকায় ঠাঁই না পাওয়া ভেনাস উইলিয়ামস হারান ২৫তম বাছাই মিহায়েলা বুজারনেস্কুকে।
শিরোপাধারী রজার ফেদেরার ৬-৩, ৬-৪ ও ৬-৪ গেমে উজবেকিস্তানের ডেনিস ইস্তোমিনের বিরুদ্ধে জয়ী হন। মেলবোর্ন পার্কে এটা ছিল সুইস তারকার টানা ১৫তম জয়। ২০০৬-০৮ মৌসুমের পর এটাই হলো ফেদেরার দীর্ঘ টানা জয়। সেবারেরটি ছিল টানা ১৯ খেলায়।
ফেদেরার খেলা শেষে বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমি আমার প্রথম রাউন্ড নিয়ে খুবই আনন্দিত। এটা দারুণ। বলগুলো ভালোই খেলেছি।’ তিন নম্বর বাছাই ফেদেরার এখন দ্বিতীয় রাউন্ডে যুক্তরাজ্যের ড্যানিয়েল ইভান্সের মুখোমুখি হবেন।
এদিকে নোভাক জকোভিচ তার রেকর্ড সপ্তম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম রাউন্ডে অনায়াস জয় পেয়েছেন। রড লেভার অ্যারিনায় বাছাই থেকে আসা আমেরিকান মিচেল ক্রুয়েগের বিরুদ্ধে তার জয়টি ছিল ৬-৩, ৬-২ ও ৬-২ গেমের।
বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় জকোভিচ টানা ১৩তম বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেন। সব মিলিয়ে এটা ছিল তার ৩০০তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ম্যাচ ও ২৫৯তম জয়। সার্বীয় এই তারকার জন্য গেল বছরটিও দারুণ কেটেছিল। ওই সময়ে তিনি জুন মাসেও ছিলেন বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ২০ জনের বাইরে। তারপরও উইম্বলডন ও ইউএস ওপেন জিতে নভেম্বরের মৌসুমের সমাপ্তিতে ফিরে পান এক নম্বর আসনটি।
নারী বিভাগে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় সিমোনা হালেপও কাল দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন। তবে হারের শঙ্কায় পড়েছিলেন রোমানিয়ার এ খেলোয়াড়। শেষ পর্যন্ত তিনি ৬-৭ (২-৭), ৬-৪ ও ৬-২ গেমে হারান এস্তোনিয়ার কাইয়া কানেপিকে।
