খুলনায় ভৈরব নদের ওপর প্রস্তাবিত ভৈরব সেতুর নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরেই শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই যাচাই-বাছাই শেষে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ঐ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহে খুলনার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ভৈরব সেতুর কাজ শুরুর মধ্য দিয়ে দিঘলিয়া উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। সেতুটি নির্মাণ হলে এই উপজেলার সঙ্গে খুলনা মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্র জানায়, প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদন পায়। মূল সেতুটি হবে নগরীর রেলিগেট থেকে দিঘলিয়া উপজেলার নগরঘাট ফেরিঘাট পর্যন্ত। এ ছাড়া সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ ঘটাতে ফেরিঘাট থেকে নগরীর মুহসিন মোড় এবং দিঘলিয়ার নগরঘাট থেকে উপজেলার মোড় পর্যন্ত ফ্লাইওভার বা ভায়াডাক্ট নির্মাণ করা হবে।
সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১ দশমিক ৩১৬ কিলোমিটার। নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে সর্বমোট ৬১৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। সেতু নির্মাণে ব্যয় ৩০৩ কোটি টাকা। বাকি টাকা ব্যয় হবে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কাজে।
এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান মাসুদ বলেন, আগামী সপ্তাহে কার্যাদেশ মিললে ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে। নির্মাণে সময় ধরা হয়েছে তিন বছর। তবে, জমি অধিগ্রহণের ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
