রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনগুলো ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সভা-সমিতি, বিভিন্ন সাংগঠনিক অনুষ্ঠান এবং বিভাগীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু রাবির মিলনায়তন যেন খণ্ডকালীন সিনেমা হলে পরিণত হয়েছে। এখানে একাধিকবার অর্থের বিনিময়ে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের অনুমোদন দেওয়ার নজির রয়েছে। প্রথমত, রাবি ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও মিলনায়তনে আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া লাগেনি। নেই পর্যাপ্ত লাইট, সাউন্ড সিস্টেম, এসি, সাউন্ড নিরোধক যন্ত্র। অর্থ বরাদ্দ হওয়ার পরেও টেন্ডারের অভাবে পড়ে রয়েছে সংস্কার। দ্বিতীয়ত, বলা হয়েছে বহিরাগত কোনো প্রতিষ্ঠান সিনেমা দেখাতে এলে তাদের গুনতে হবে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা ফিস। কিন্তু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নির্মিত সিনেমা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ঐ টাকা বাম হাতের ময়লা। কেননা তারা একটি শোতে ফিসের চেয়েও ৫০গুণ টাকা আয় করে থাকে। তাই বহিরাগত প্রতিষ্ঠানের সিনেমা প্রদর্শনের অনুমোদন বাতিল করা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনকে পাবলিক সিনেমা হল না বানিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্মিত ইতিহাসনির্ভর শিক্ষামূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের অনুমোদন সর্বাগ্রে বিবেচনায় রাখতে হবে। পরিশেষে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আবদুর রউফ সালাফী
বি এ (অনার্স), ৪র্থ বর্ষ, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
