চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী কিন গ্যাংয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন সুইজারল্যান্ডের স্টেট সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ানা মারটি। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল অর্থনৈতিক সম্পর্ক, করোনা এবং চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি।
চীনের তৃতীয় বাণিজ্যিক পার্টনার সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে এদিন চীনে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে সে বিষয়ে জোর দেন। বিশেষ করে তিব্বতের প্রতি চীনা কর্তৃপক্ষের আচরণের কথা তুলে সুইজারল্যান্ড।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সুইস রাষ্ট্রদূত বার্নার্ডিনো রেগাজনি'র তিব্বত সফরের পরই দেশটির পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য এলো।
সেসময়য় সফরের পর এক বিবৃতিতে সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, সুইস রাষ্ট্রদূত এবং আরো ১০ কূটনীতিক মিশনের সঙ্গে লাসা এবং শিগাটসে সফর করে এবং সেখানকার মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়।
তিব্বতের মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারকে তিব্বতে প্রবেশাধিকার এবং তিব্বতের মানবাধিকার রক্ষার জন্য সুইজারল্যান্ডের দাবি থাকবেই।
ইত্তেফাক/এসআর
