বলতে পারিস কী লাভ লিখে সত্য-ন্যায়ের কথা?
ও মন তোর লেখার বিষয়—চাঁদ, পাখি, গাছ, লতা!
দেখিস না তুই চারপাশে তোর সবুজ গাছের সারি
নদ-নদীতে ঢেউ খেলে যায় দেখতে দারুণ ভারি।
এই চেয়ে দ্যাখ নতুন কুঁড়ি ফলের গাছে গাছে—
সবুজ ঘাসে ফড়িং ছানা তিড়িংবিড়িং নাচে।
ফুলবাগানে ফুল ফোটে আর পাখপাখালি ডাকে
বাসিস ভালো মায়ের মতোই সবুজ গেরামটাকে।
দ্যাখ চেয়ে দ্যাখ বিল বা ঝিলে শাপলা শালুক ফোটে
সকাল সকাল রাঙা আলোয় সূয্যি হেসে ওঠে।
এরপরে তুই ঠিক দুপুরে শুনিস ডাকে পাখি—
এই পাখিটার নামটা ঘুঘু—ও মন জানিস নাকি!
আবার দেখিস বিকেলবেলা পাড়ার সবুজ মাঠে
খেলছে শিশু-কিশোর দলে, সূর্য নামে পাটে।
সন্ধ্যাবেলার সব কথা আর ক্যামনে বলি তোকে?
তারার সাথে চাঁদ ওঠে ঐ ডাকছে ঝিঁঝি পোকে!
রাত্রি যত যায় ঘনিয়ে জ্যোত্স্না ছড়ায় আলো;
দেখিস চেয়ে চাঁদমামাটি যায় ছুঁয়ে এই গালও।
তারপরে ঠিক রাতদুপুরে ডাকবে ডাহুক ঠিকই—
ও মন এসো এসব নিয়ে ছড়াকাব্য লিখি।
