বিবিসি
চীনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সিনোভ্যাক মধ্যম পর্যায়ের ট্রায়ালে সফলতা দেখিয়েছে বলে দেশটির গবেষকরা দাবি করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। দেশটি কোভিড-১৯ এর বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য টিকা নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটির প্রয়োগও শুরু হয়েছে বলে চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
গবেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাতশোরও বেশি লোকের ওপর চালানো ট্রায়ালে দেখা গেছে চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেকের টিকা প্রয়োগের পর তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দ্রুত চাঙ্গা করে তোলে। তুলনামূলক বড় আকারের ট্রায়ালে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিনগুলোর ব্যাপক সাফল্যের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সিনোভ্যাকের টিকার মাঝ পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল জানা গেল। বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্তে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও রাশিয়ার তিনটি টিকা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ৯০ শতাংশেরও বেশি কার্যকর বলে দেখা যাচ্ছে। এসব টিকার ট্রায়ালে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো চীনও একটি কার্যকর কোভিড-১৯ টিকা উত্পাদনে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। তাদের যে চারটি সম্ভাব্য টিকা ক্লিনিকাল ট্রায়ালের তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে তার মধ্যে সিনোভ্যাক বায়োটেকের এই টিকাটিও আছে। তবে বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেটে টিকাটির প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলই শুধু দেওয়া হয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসে সম্পন্ন হওয়া ওই পর্যায়ের ট্রায়ালগুলোতে টিকা প্রয়োগের পর মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত চাঙ্গা হওয়ার প্রমাণ মিলেছে বলে ল্যানসেটের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে সেসব ট্রায়ালে টিকাটির সাফল্যের হার কেমন ছিল তা জানানো হয়নি।
