সুজানগরে শুঁটকি উত্পাদনের ধুম

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২০, ২২:৩১

শীতের শুরুতেই পাবনার সুজানগরে শুঁটকি মাছ উত্পাদনের ধুম পড়েছে। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় প্রকৃত মত্স্যজীবীদের পাশাপাশি সাধারণ মত্স্যজীবীরাও ঝুঁকছেন শুঁটকি মাছ উত্পাদনের দিকে।

উপজেলা মত্স্য অফিস সূত্রে জানা যায়, পৌরসভাসহ উপজেলার দুলাই, রানীনগর ও হাটখালী ইউনিয়ন এলাকায় শতাধিক শুঁটকি চাতাল রয়েছে। এ বছর ঐ সব চাতালে শুঁটকি মাছ উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২০ হাজার মণ। ইতিমধ্যে উপজেলার মত্স্যজীবীরা তাদের বাড়ির আশপাশে আবার কেউবা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলের পাড়ে বড় বড় বাঁশের চাতাল তৈরি করে শুঁটকি মাছ উত্পাদন শুরু করে দিয়েছেন।

উপজেলার মসজিদপাড়া গ্রামের মত্স্যজীবী শামীম হাসান জানান, ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলসহ আশপাশের চার-পাঁচটি বিল থেকে পুঁটি, ট্যাংরা, বাইন, শোল, টাকি এবং চাঁদা                 মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ কিনে ঐ সব চাতালে শুকানো হচ্ছে। একই এলাকার মত্স্যজীবী আব্দুল করিম বলেন, আমরা কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর উপায়ে শুঁটকি মাছ উত্পাদন করি। সে কারণে দেশ এবং দেশের বাইরে সুজানগরের শুঁটকির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে দেশের বৃহত্ শুঁটকির আড়ত সৈয়দপুরে এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের সব আড়তে শুঁটকি মাছের বাজার মন্দা। এ ব্যাপারে উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা (অ.দা.) সাইফুল ইসলাম বলেন, শুঁটকি উত্পাদনকারী মত্স্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা যাতে সরকারি ঋণসহায়তা পান সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।